২৫-৩০ কেজি ওজন কমানোর জন্য ১০ গুন বেশি কার্যকর কোলাজেন কফি।কোলাজেনের প্রধান হল অ্যামিনো এসিডের প্রোটিন। এটা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত। এতে আছে প্রাকৃতিক সকল উপাদান ফাইবার,অ্যামিনো অ্যাসিড,ট্যানিনস এ্যাসেনশিয়াল,অয়েল,ট্রাইগোনেলিন
ক্লোরোজেনিক এসিড। যা থাকার কারণে আপনার পুরো শরীরে তলপেটের চর্বি, ভূড়ির চর্বি, ব্যাক,থাই,হাতে,মুখে,হিপে যেখানেই চর্বি আছে তা অপসারণ করবেই।
কোলাজেন কফি স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অতুলনীয়।
কোলাজেনের কফি সেবনে আপনার যে উপকারীতা হবে তা হলো
১) শরীরের মধ্যে দ্রুত বয়সের চাপ পরবে না।
২) শরীর দুর্বল বা ক্লান্ত লাগবে না এবং কোলাজেন কফি সেবনে শক্তি বৃদ্ধি পেতে শুরু করবে ফলে কার্য ক্ষমতা বেড়ে যাবে।
৩) কখনোই ত্বকের চর্মরোগে আক্রান্ত হয়ে হবেন না।
৪) Collagen কফি সেবনে চুল পরা বন্ধ হবে। ফলে মাথায় নতুন চুল সৃষ্টি হয়।
৫) ত্বক লাবণ্যময় হয়,এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসে।
৬) খাদ্য হজমে বা পরিপাকে কার্যক্ষমতা বাড়ে।
৭) কিডনি সুস্থতা বৃদ্ধি পায়।
৮) শরীরের জয়েন্টে জয়েন্টে ব্যথা দূর করে। ফলে অস্থি বা হাড় শক্তিশালী হয়।
৯) বুকে ব্যথা থাকলে তা দূর হয়ে যায়।
১০) চোখ সমস্যা সমাধান হয়।
১১) পেশি শক্ত হয় এবং ভালো লাগবে শরীরে।
১২) মাথা ব্যথা, স্ট্রোক, এসিডিটি
ইত্যাদিসহ প্রধান অঙ্গে অনেক ধরনের সমস্যা সমাধান হয়।
১৩) মাসিকে সমস্যা থাকলে তা দূর হয়ে যায়।
কোলাজেন কোন মেডিসিন বা ঔষধ নয় এইটা মূলত প্রোটিন যা আমাদের শরীরে থাকে।বয়স বাড়ার সাথে সাথে কোলাজেন ঘাটতির কারণে আমাদের ত্বক এবং আমরা বৃদ্ধ হতে থাকি।
যা মূলত কোলাজেন অভাবেই আমরা বৃদ্ধ হয়ে যায়।তাই এই কোলাজেন আমরা যদি খেয়ে থাকি তাহলে আমাদের বয়সে চাপ পরবে না বরং আমাদের ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাবে।
খাওয়া নিয়ম :.
প্রতিদিন খালি পেটে ২০০ml কুসুম গরম পানির ১ চা চামচ ভালো করে মিশিয়ে সকালে খেয়ে নিবেন।
রমজানে ইফতারে ২/৩ ঘন্টা পর অধবা সেহেরি খাওয়া আগে খাওয়া উত্তম...